মুন্ডমারী মৈত্রী সংঘ ক্লাবের পক্ষ থেকে জানাই শুভ বিশ্বকর্মা পূজোর আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

 "কর্মের হোক জয়"  
দেব শিল্পী শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা কে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম... 

বাবা শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মার আশীর্বাদে সকলের মঙ্গল হোক ও ভালো থাকুক সুস্থ থাকুক সবাই... 

                MUNDAMARI MOITREE SANGHA

বেদে বিশ্বের স্রষ্টা বিশ্বকর্মা 

ব্রহ্মকে বিশ্বকর্মাও বলা হয়। কারণ সমস্ত জগৎ তাঁর থেকেই এসেছে। এ বিশ্বকর্তা মহাত্মা পরমেশ্বর সর্বদা সমস্ত মানুষের হৃদয়ে সমগ্র রূপে অবস্থিত তথা হৃদয়দ্বারা বুদ্ধিদ্বারা এবং মনদ্বারা ধ্যানে আনীত হলে প্রত্যক্ষ হন, যে সমস্ত সাধক এই রহস্য জ্ঞাত হন তাঁরা অমৃতস্বরূপ হন।শ্বেতাশ্বতর উপনিষদে বলা হয়েছে, যারা জগৎস্রষ্টা বিশ্বকর্মাকে সম্যকরূপে জানেন, তাঁরা মৃত্যুকে অতিক্রম করেন। অর্থাৎ তাঁদের আর মৃত্যুভয় থাকে না।

এষ দেবো বিশ্বকর্মা মহাত্মা
সদা জনানাং হৃদয়ে সন্নিবিষ্টঃ।
হৃদা মনীষা মনসাঽভিক্লৃপ্তো
য এতদ্ বিদুরমৃতাস্তে ভবন্তি।।
(শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ:৪.১৭)

"পরমাত্মা এই জগৎরূপে নিজেকে প্রকাশিত করেছেন, তাই বিশ্বের স্রষ্টা বিশ্বকর্মা। তিনিই সেই মহান পুরুষ, তিনিই প্রত্যেক জীবের অন্তরে প্রবিষ্ট হয়ে আছেন। যাঁরা এই পরমাত্মাকে জানেন তাঁরা মৃত্যুকে অতিক্রম করেন, অর্থাৎ তাঁদের আর মৃত্যুভয় থাকে না।". 

জগতের সৃষ্টিকর্তারূপ পিতা, এ মহাবিশ্বের সকল জগতকে অস্তিত্বময় করেন।তিনি মূল প্রকৃতিকে প্রথম সৃষ্টি করেন। সেই এক এবং অদ্বিতীয় পরমেশ্বর সর্বব্যাপী। সর্বত্রই তাঁর চোখ, মুখ, হাত এবং পা। তিনি স্বর্গ-মর্ত্য সৃষ্টি করে এক এবং অদ্বিতীয় পরমেশ্বররূপে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে বিরাজমান হয়ে আছেন।তিনি সর্বদর্শী এবং সর্বজ্ঞ। তিনি কল্যাণকর্মা বিধাতা প্রজাপতি। বিশ্বকর্মা স্বয়ং প্রকৃতি মধ্যস্থিত পবিত্র দ্রব্যাদির সহিত পৃথিবী ও অন্তরীক্ষের যজ্ঞ সুসম্পন্ন করছে। ঋগ্বেদ সংহিতার দশম মণ্ডলে ত্রিষ্টুপ ছন্দে বিশ্বকর্মাসূক্তে বলা হয়েছে, বিশ্বকর্মা এ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের হোতা এবং বীজপ্রদাতা পিতা। তিনি প্রতিপালক, শাসক ও নিয়ন্ত্রক, তিনিই বিশ্বজগতের আবাসস্থল।তিনি অনন্তরূপী ; সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডব্যাপী তাঁর চোখ, সকল দিকেই তাঁর মুখমণ্ডল, সকল দিকেই তাঁর হাত, সকল দিকেই পা, তিনিই বৃহৎ দ্যুলোক ও ভূলোক সৃষ্টি করেন। তিনিই বাক্যের অধিশ্বর বাচস্পতি। তিনিই মনের থেকেও বেগবান মনোজব। তিনিই জগতের সদা মঙ্গলকারী বিশ্বশম্ভু। বিশ্ব সৃষ্টির মহাযজ্ঞে তিনি নিজেই নিজেকে আহুতি প্রদান করেছেন। তিনি অচিন্ত্য সর্বান্তর্যামী; তাই জীব জ্ঞানের অভাবে সেই পরমেশ্বর বিশ্বকর্মাকে সম্যকরূপে জানতে পারে না।

য ইমা বিশ্বা ভুবনানি জুহ্বদৃষি-
র্হোতা ন্যসীদৎ পিতা নঃ ।
স আশিষা দ্রবিণমিচ্ছমানঃ 
প্রথমচ্ছদববাঁ আ বিবেশ ॥
কিং স্বিদাসীদধিষ্ঠানমারম্ভণং 
কতমৎস্বিৎ কথাসীৎ।
যতো ভূমিং জয়ন্বিশ্বকর্মা বি
 দ্যামৌর্ণোন্মহিনা বিশ্বচক্ষাঃ।।
বিশ্বতশ্চক্ষুরুত বিশ্বতোমুখো 
বিশ্বতোবাহুরুত বিশ্বতস্পাৎ।
সং বাহুভ্যাং ধমতি সং পতত্রৈ-
র্দ্যাবাভূমী জনয়ন্দেব একঃ।।
কিং স্বিদ্বনং ক উ স বৃক্ষ 
আস যতো দ্যাব্যপথিবী নিষ্টতক্ষূ। 
মনীষিণো মনসা পৃচ্ছতেদু
তদ্যদধতিষ্ঠভুবনানি ধাররন্॥ 
যা তে ধামানি পরমাণি যাবমা
যা মধ্যমা বিশ্বকর্মন্নুতেমা। 
শিক্ষা সখিভ্যো হবিষি স্বধাবঃ 
স্বয়ং যজন্ব তন্বং বৃধানঃ ॥
বিশ্বকর্মন হবিষা বাবৃধানঃ
স্বয়ং যজস্ব পৃথিবীমুত দ্যাম্।
মুহ্যন্ত্বন্যে অভিতো জনাস
ইহাম্মাকং মঘবা সূরিরস্তু।। 
বাচস্পতিং বিশ্বকর্মাণমূতয়ে
মনোজুবং বাজে অদ্যা হুবেম।
স নো বিশ্বানি হবনানি জোষ-
দ্বিশ্বশম্ভুরবসে সাধুকর্মা ॥
(ঋগ্বেদ সংহিতা: ১০.৮১.১-৭)

"আমাদের পিতা সে যে ঋষি, যিনি বিশ্বভুবনে হোম করতে বসেছিলেন, তিনি অভিলাষসহকারে ধনের কামনা করে প্রথমাগত ব্যক্তিদের আচ্ছাদন করে পশ্চাদাগতদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করলেন। 

সষ্টিকালে তাঁর অধিষ্ঠান অর্থাৎ আশ্রয়স্থলে কি ছিল? কোন স্থান হতে কিরূপে তিনি সৃষ্টি কার্য আরম্ভ করলেন ? সে বিশ্বকর্মা, বিশ্বদর্শনকারী দেব কোন স্থান থেকে পৃথিবী নির্মাণ পূর্বক প্ৰকাণ্ড আকাশকে উপরে বিস্তারিত করে দিলেন। 

সে এক প্রভু তাঁর সকল দিকে চক্ষ, সকল দিকে মুখমণ্ডল, সকল দিকে হাত, সকল দিকে পা, তিনি দুইহাতে এবং বিবিধ পক্ষ সঞ্চালন করে বৃহৎ দ্যুলোক ও ভূলোক সৃষ্টি করেন। 

সে কোন বন ? কোন বৃক্ষের কাঠ ? যা হতে দ্যুলোক ও ভূলোক সৃষ্টি করা হয়েছে ? হে বিদ্বানগণ ! তোমরা একবার আপন আপন মনে জিজ্ঞাসা করে দেখ, দেখ তিনি কিসের উপর দাঁড়িয়ে ব্রহ্মাণ্ড ধারণ করেন ? 

হে বিশ্বকর্মা ! হে যজ্ঞভাগগ্রাহী! তোমার যে সকল উত্তম ও মধ্যম ও নিম্নবর্তী ধাম আছে, যজ্ঞের সময় তা আমাদের জানিয়ে দাও। তুমি নিজে নিজের যজ্ঞ করে নিজ শরীরকে বর্ধন কর। 

হে বিশ্বকর্মা, কি পৃথিবীতে কি স্বর্গে, তুমি নিজে নিজে যজ্ঞ করে নিজ শরীরকে বর্ধন কর। জীব জ্ঞানের অভাবে তোমাকে সম্যকরূপে জানতে পারে না। ইন্দ্ররূপ বিশ্বকর্মা আমাদের প্রেরণকর্তা হোন।

অদ্য এ যজ্ঞে বিশ্বকর্মাকে আহ্বান করছি, তিনি বাচস্পতি অর্থাৎ বাক্যের অধিপতি, মন তাতে সংলগ্ন হয়, তিনি সকল কল্যাণের উৎপত্তিস্থান, তাঁর কার্যমাত্রই চমৎকার, তিনি আমাদের সকল যজ্ঞ স্বীকার করে আমাদের রক্ষা করুন।"

বিশ্বকর্মা অসীম পরিব্যাপক, সকল কিছুর প্রতিপালক, সকল কিছুর নিয়ন্ত্রক, সর্বপ্রধান, সকল কিছুর প্রত্যক্ষকারী ও জাগ্রত ৷ শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতাতেও সকল জীবজগতের স্রষ্টা 'দক্ষিণা' নামে অবিহিত করা হয়েছে। মন্ত্রে সকলের স্রষ্টা দক্ষিণা বিশ্বকর্মা এবং প্রজাপতি যে একই বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উপলব্ধি করা যায়।দক্ষিণ শব্দের অর্থ প্রসন্ন। তাই পরমেশ্বর সদাশিবকে 'দক্ষিণামূর্তি' বলা হয়। যজ্ঞাগ্নির একটি অন্যতম নাম 'দক্ষিণাগ্নি'।

অয়ং দক্ষিণা বিশ্বকর্মা। 
তস্য মনো বৈশ্বকর্মণং।
গ্রীষ্মো মানসস্ত্রিষ্টুব্ গ্রৈষ্মী ত্রিষ্টুভঃ স্বারং। স্বারাদন্তর্যামোঽন্তর্যামাৎ পঞ্চদশঃ।
পঞ্চদশাদ বৃহদ। ভরদ্বাজ ঋষিঃ।
 প্রজাপতিগৃহীতয়া ত্বয়া মনো গৃহ্নামি প্রজাভ্যঃ।।
(শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা: ১৩.৫৫)

"সকলের স্রষ্টা বিশ্বকর্মা। বায়ু, দক্ষিণ দিক থেকে প্রবাহিত হচ্ছে, সেরূপে তোমাকে গ্রহণ করছি। বিশ্বকর্মার অপত্য মনরূপে, মনের অপত্য গ্রীষ্ম ঋতুরূপে, তা থেকে উৎপন্ন ত্রিষ্টুপ ছন্দরূপে, তা থেকে উৎপন্ন সামরূপে, তা থেকে উৎপন্ন অন্তর্যাম গ্রহরূপে, তা থেকে উৎপন্ন পঞ্চদশ স্তোমরূপে, তা থেকে উৎপন্ন বৃহৎ পৃষ্ঠরূপে, তা থেকে উৎপন্ন ভরদ্বাজ ঋষিকে মনরূপে গ্রহণ করছি । প্রজাপতির সৃষ্টি তোমাকে সকল প্রজাদের কল্যাণের জন্য মনে গ্রহণ করছি।"

বৃহস্পতিস্ত্বা সাদয়তু পৃথিব্যাঃ পৃষ্ঠে 
জ্যোতিষ্মতীং বিশ্বস্মৈ প্রাণায়াপানায় বিশ্বং জ্যোতির্যচ্ছাগ্নিস্তেঽধিপতিবিশ্বকৰ্ম্মা ত্বা 
সাদয়ত্বন্তরিক্ষস্য পৃষ্ঠে জ্যোতিষ্মতীং বিশ্বস্মৈ প্রাণায়াপানায় বিশ্বং জ্যেতির্যচ্ছ বায়ুস্তেঽধিপতিঃ প্রজাপতিস্ত্বা সাদয়তু দিবঃ পৃষ্ঠে জ্যোতিস্মতীং বিশ্বস্মৈ প্রাণায়াপানায় বিশ্বং জ্যেতির্যচ্ছ পরমেষ্ঠী তেঽধিপতিঃ।
(কৃষ্ণ যজুর্বেদ সংহিতা:৪.৪.৬)

"হে ইষ্টকা, জ্যোতিষ্মতী তোমাকে সকল প্রাণীর প্রাণ ও অপান বৃত্তিলাভের জন্য বৃহস্পতি পৃথিবীর পৃষ্ঠে স্থাপন করুক। তুমি সকল স্বর্গ প্রকাশক জ্যোতি সংযত কর । অগ্নি তোমার পালক । এরূপ বিশ্বকর্মা জ্যোতিষ্মতী তোমাকে সকল প্রাণীর প্রাণ ও অপানবত্তি লাভের জন্য অন্তরিক্ষের উপরে স্থাপন করুক। তুমি স্বর্গ প্রকাশক সকল জ্যোতি সংযত কর ৷ বায়ু তোমার অধিপতি। প্রজাপতি জ্যোতিষ্মতী তোমার সকলের প্রাণ ও অপান বৃত্তি লাভের জন্য দ্যুলোকে পৃষ্ঠে স্থাপন করুক। তুমি স্বর্গ প্রকাশক সকল জ্যোতি সংযত কর। পরমেষ্ঠী তোমার রক্ষক।"

অথর্ববেদ সংহিতায় ইন্দ্রের স্তোত্র করতে গিয়ে ঋষিরা ইন্দ্ররূপ পরমেশ্বরকেই 'বিশ্বকর্মা' এবং ' 'বিশ্বদেবো' নামে অবিহিত করেছেন। সূক্তে ইন্দ্রদেবকে রক্ষার নিমিত্ত জীবের রক্ষায় সখারূপে আহ্বান জানানো হয়েছে। ইন্দ্রদেবকে গো-ইত্যাদি অভীষ্ট ধনের প্রদাতা বলা হয়েছে। তিনি জনরক্ষক, হরিত-অশ্ববান্, সর্বনিয়ামক। তিনি সূর্যের প্রকাশক, শত্রু-তিরস্কারক, জগতের সৃষ্টা বিশ্বকর্মা। তাঁর মহিমার দ্বারা তিনি দ্যাবা-পৃথিবী জল-পর্বত-বজ্র-বল ও স্বর্গকে ধারণ করেন।

ত্বমিন্দ্রাভিভূরসি ত্বং সূর্যমরোচয়ঃ।
বিশ্বকর্মা বিশ্বদেবো মহাঁ অসি ॥৬
(অথর্ববেদ সংহিতা:২০.৫.২৫.৬)

বিশ্বকর্মাই ইন্দ্র হয়ে অসুর বিনাশ করেন, আবার তিনিই প্রজাপতি হয়ে জগত সৃষ্টি করেন।বিশ্বকর্মা এক অদ্বিতীয় পরমেশ্বরের প্রজা এবং জগতসৃষ্টির অধিপতি ত্রিমূর্তির অন্যতম ব্রহ্মার নামান্তর মাত্র। অর্থাৎ যিনি প্রজাপতি ব্রহ্মা, তিনিই বিশ্বকর্মা।এ কারণেই বিশ্বকর্মার বঙ্গদেশ ব্যতীত মূর্তিতে ব্রহ্মার সম্পূর্ণ সাদৃশ্য পাওয়া যায়। এ প্রসঙ্গে স্বামী নির্মলানন্দ তাঁর "দেবদেবী ও তাঁদের বাহন' নামক সুবিখ্যাত গ্রন্থে বলেন:

"বিশ্ববিধাতা এক। তার দুটি ভাব। একভাবে তিনি বিশ্বকৰ্ত্তা, অন্যভাবে তিনি বিশ্বমন্তা ৷ একটি তার কৰ্ম্মময় স্বরূপ, অন্যটি তার মননাত্মক জ্ঞানময় স্বরূপ। বেদে এ দু’টি ভাব একই আধারে সমাহিত ছিল। পুরাণে দ্বিধা বিভক্ত হয়। বিধাতার কর্ম্মশীলতার দিকটি গ্রহণ করেন বিশ্বকর্ম্মা এবং তাঁর মননশীলতার ভূমিকা গ্রহণ করেন ব্রহ্মা।

জাগতিক ক্ষেত্রেও দেখি, যে কোন নূতন সৃষ্টির মূলে ক্রিয়াশীল থাকে দু’টি শক্তি—মননশক্তি ও কর্মশক্তি। মননশক্তির দ্বারা আমরা পরিকল্পনা স্থির করি, কর্মশক্তির সহায়তায় সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিই। তেমনি বিধাতার ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির মূলেও উক্ত দ্বিবিধা শক্তির উপস্থিতির কথা সহজেই কল্পনীয়। তিনি যে 'ঈক্ষণ' করেছিলেন ব'লে শ্ৰুতি উল্লেখ করেছেন, সেই 'ঈক্ষণ' বস্তুটিই বিধাতার মননশীলতা, ও-টিই ইচ্ছাময়ের ইচ্ছা—তার জ্ঞানশক্তি। এমন নিখুঁত, সৰ্ব্বাঙ্গসুন্দর, সর্ব্বশৃঙ্খলাময় এই বিশ্বভুবন। যদি বিধাতা বুদ্ধিপূর্ব্বক পরিকল্পনা স্থির না করতেন, তবে এমনটি হতো কি? এই 'ঈক্ষণ' বস্তুটির মধ্যেই তার বিজ্ঞানী ভাবটি সুপ্রকট-এই স্তরে তিনি ব্রহ্মা। আর যে শক্তি বিধাতার এই সুচিন্তিত সৃষ্টিপরিকল্পনাকে কৰ্ম্মে রূপায়িত করেছেন, তিনিই বিশ্বকৰ্ম্মা। বেদে বিশ্বকৰ্ম্মকে বলা হয়েছে বিশ্বতোবাহু। পুনশ্চ তৈত্তিরীয়োপনিষৎ বলেন—'কৰ্ম্মেতি হস্তয়োঃ।' হস্ত কর্মসাধনের করণ। তা হলে যিনি বিশ্বতোবাহু তিনি কত বড় মহাকর্মী তা আমরা চিন্তাও করতে পারি কি? বিশ্বতোবাহুরূপেই তিনি বিশ্বকৰ্ম্মা। তিনি কৰ্ম্মবীরও বটেন।"
( স্বামী নির্মলানন্দ ১৪১৩: ৮২-৮৩)

তথ্যনির্দেশ:
১. স্বামী নির্মলানন্দ, দেবদেবী ও তাঁদের বাহন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ, কোলকাতা: ১৪১৩



🔗YouTube -


Comments